প্রায়োগিক প্ল্যাটফর্মের উদ্যোগ নিয়ে আমার অভিজ্ঞতা
লেখা শুরু করার আগে একটা বিষয় না বললেই নয়, প্রায়োগিক প্ল্যাটফর্মের ভিডিও ও অডিও কোয়ালিটি সত্যিই অসাধারণ। এত নিখুঁত কোয়ালিটি আমি দেশের অন্য কোনো ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্মে দেখেছি বলে মনে পড়ে না। শুধু তাই নয়, একেবারে ডিজিটাল মার্কেটিংকে টার্গেট করে এমন একটি পূর্ণাঙ্গ ই-প্ল্যাটফর্ম তৈরি, এটি নিঃসন্দেহে বিশেষভাবে প্রশংসার দাবিদার।
এখন আসি মূল বিষয়ে। প্রায়োগিক প্ল্যাটফর্মের সবচেয়ে ভালো দিক হলো, এখানে প্রতিটি টপিক খুব ছোট ছোট সাবজেক্ট ধরে গভীরভাবে আলোচনা করা হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় কথায় সময় নষ্ট না করে একদম টু দ্যা পয়েন্ট শেখানো হয়েছে, আর তার সাথে প্র্যাকটিক্যাল ডেমো দেখানো হয়েছে, যেটা আমার কাছে সবচেয়ে উপভোগ্য লেগেছে।
এখানে ছোট-বড় সব ধরনের কোর্স রয়েছে। কিছু কিছু নিশ টপিকের কোর্স বাংলাদেশে এই প্রথম তৈরি হয়েছে প্রায়োগিকে, যা সত্যিই দারুণ একটি উদ্যোগ। প্রতিটি কোর্সই অভিজ্ঞ মেন্টররা অনেক যত্ন নিয়ে তৈরি করেছেন। প্ল্যাটফর্মটির UI/UX ডিজাইনও ব্যবহারবান্ধব, ফলে শেখার সময় একটুও জটিল মনে হয়নি।কোর্সগুলোর মান এক কথায় অসাধারণ। ইন্সট্রাক্টররা সহজ ভাষায় বিষয়গুলো উপস্থাপন করেছেন, ফলে জটিল বিষয়ও খুব সহজে বোঝা গেছে। শেখার অভিজ্ঞতা আমার জন্য ছিল আনন্দদায়ক, আর সবচেয়ে বড় কথা, আমি সত্যিই মনে করেছি আমি নতুন কিছু শিখে বাস্তবে কাজে লাগাতে পারছি।
সবশেষে আমি বলব—হ্যাঁ, আমি অবশ্যই প্রায়োগিক প্ল্যাটফর্ম অন্যদের রেকমেন্ড করব। যারা শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞানে সীমাবদ্ধ না থেকে সত্যিকারের স্কিল ডেভেলপ করতে চান, তাদের জন্য এই প্ল্যাটফর্ম নিঃসন্দেহে একটি সেরা সমাধান।
আমার কিছু সাজেশন:
- ওয়েবসাইটটিকে আরও দ্রুত (fast) করার দিকে নজর দেওয়া যেতে পারে।
- নতুন কোনো কোর্স বা মডিউল যুক্ত হলে যেন নিয়মিত নোটিফিকেশন পাওয়া যায়।
- কোর্সগুলোকে ক্যাটাগরি অনুযায়ী ফোল্ডারে সাজানো যেতে পারে। যেমন: সব ফেসবুক কোর্স এক ফোল্ডারে, এসইও কোর্স আরেক ফোল্ডারে।
- কোর্স শেষ করার জন্য ব্যবহারকারীদের নিয়মিত রিমাইন্ডার বা তাগিদমূলক নোটিফিকেশন দেওয়া যেতে পারে।
- প্ল্যাটফর্মটিকে যত বেশি ইন্টারঅ্যাকটিভ করা সম্ভব, সেটি শেখার অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।